অস্কার অ্যাওয়ার্ডস ও সংক্ষিপ্ত কিছু ইতিহাস।

BRENTWOOD, CA - FEBRUARY 24: Nate Sanders displays the collection of Oscar statuettes that his auction company will sell online to the highest bidder on February 24, 2012 in Brentwood, California. (Photo by Toby Canham/Getty Images)

বিশ্বের চলচ্চিত্র ইতিহাসের সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার হিসেবে বিবেচিত ‘অস্কার অ্যাওয়ার্ডস’ এর ৮৬ তম আসর অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ২০১৪ সালের মার্চ মাসের ২ তারিখ। এবারের অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়েছিলো লস এঞ্জেলেসের ডলবি থিয়েটার হলে। এই লেখাটি লেখার ঠিক ২০ দিন ২০ ঘন্টা ৫ মিনিট ৯ সেকেন্ড পর অনুষ্ঠিত হয়েছিলো অস্কারের ৮৬ তম আসর। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘একাডেমী অভ মোশন পিকচার্স আর্টস এন্ড সায়েন্সেস’ চলচ্চিত্র শিল্পের সাথে সংযুক্ত অভিনেতা-অভিনেত্রী, পরিচালক, সঙ্গীতজ্ঞ, প্রযুক্তিবিদ সহ সকল কলাকুশলীদের সম্মানিত করার জন্য ১৯২৯ সাল থেকে অস্কার পুরস্কার প্রদান করে আসছে।

এই অস্কার নিয়ে চলচ্চিত্র প্রেমীদের মধ্যে আগ্রহের কমতি নেই। আজ জানাচ্ছি অস্কার নিয়ে বিশেষ কয়েকটি তথ্য। অভিনয়ের জন্য ১২ টি মনোনয়ন ও মোট ৪ বার পুরস্কার অর্জন করেছেন তিনি-বলছি অস্কারের ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত ও সম্মানিত অভিনেত্রী ‘ক্যাথেরিন হ্যাপবার্ন’ এর কথা। একাডেমী অ্যাওয়ার্ডসে ক্যাথেরিনের জয়জয়কার থাকলেও ১৯৭৩ সালের আগে কখনোই অস্কার অনুষ্ঠানে যোগ দেননি তিনি। ১৯৭৩ সালে যোগ দিলেও নিজে পুরস্কার নেয়ার জন্য আসেননি হ্যাপবার্ন, এসেছিলেন ‘লরেন্স উইনগার্টেন’ এর হাতে অস্কারের ‘থালবার্গ অ্যাওয়ার্ড’ ট্রফি তুলে দিতে, আর সম্মাননার কাজটি শেষ করেই অতি দ্রুত অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন তিনি।

সেই প্রথম, সেই শেষ-অস্কার আর কখনোই দেখেনি এই কিংবদন্তী নায়িকার মুখ। এবার আসি ১৯৩৯ সালের অস্কারে, এ বছর ‘গন উইথ দ্য উইন্ড’ ছবিতে অনবদ্য অভিনয় করে পার্শ্ব চরিত্রের সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জয় করেন ‘হ্যাটি ম্যাকড্যানিয়েল’। ১৯৩৯ এর অস্কারে হ্যাটির স্বীকৃতি পাওয়ার ঘটনাটি বিখ্যাত হয়ে আছে কারণ তিনি হলেন অস্কার জয়ী প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ অভিনেত্রী। হ্যাটির জয় শুধু একাডেমীর ইতিহাসেই নয় বরং বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও সেসময়ের চরম বর্ণবাদী আমেরিকান সমাজে কৃষ্ণাঙ্গ সম্প্রদায়ের মানুষদের জন্য একটি বিশাল অর্জন। এবার চলে যাচ্ছি ১৯৭১ সালের অস্কারে। চার্লি চ্যাপলিন, কে না চেনে এই মানুষটাকে। হলিউডের নির্বাক সময়ের তুমুল জনপ্রিয় এই কিংবদন্তী অভিনেতা ১৯৩০ সালে, সবাক সিনেমার শুরুর দিকে প্রায় হঠাৎ করেই বিদায় জানালেন চলচ্চিত্র জগতকে। তার বিতর্কিত রাজনৈতিক জীবন, সবাক চলচ্চিত্রের প্রতি অনীহা, রুপালী পর্দা থেকে বিদায় ও সর্বশেষ ১৯৫২ সালে চিরদিনের জন্য মার্কিন মুলুক ত্যাগ-অনেকটা সিনেমার গল্পের মত মনে হয়, সবাক সিনেমার যুগে চ্যাপলিন সহ নির্বাক আমলের অনেক রাঘব-বোয়ালদেরকেই দেখা গেছে পর্দা থেকে চিরতরে হারিয়ে যেতে।

যাইহোক মূল ঘটনায় ফিরে আসি, এরই মাঝে পার হয়ে গেছে দীর্ঘ ২০ বছর, একাডেমীর অনেক অনুরোধের পর সম্মানসূচক একটি অস্কার গ্রহণ করতে সম্মত হন চ্যাপলিন। সারা পৃথিবী জুড়ে তুমুল জনপ্রিয় ও সর্বত্র সাদরে গৃহীত এই ফিল্ম আইকন ১৯৭১ সালে অনুষ্ঠিত অস্কার আসরে অংশগ্রহণ করেন, আর এই ঘটনাটি নিঃসন্দেহে অস্কারের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলোর মধ্যে একটি। সেবছর সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতে নেয় ‘দ্য ফ্রেঞ্চ কানেকশন’ নামের একটি সিনেমা-সাধারণত টান টান শ্বাস রুদ্ধকর সময়ের পর সেরা ছবির নাম ঘোষণা করা হয়ে থাকে অস্কার আসরে, কিন্তু সেবার সেরা চলচ্চিত্রের নাম ঘোষণার পরেও সবাই রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করছিলেন চ্যাপলিনের আবির্ভাবের জন্য। সবার মুখে একটাই কথা, মাথায় একটাই চিন্তা-কখন চ্যাপলিন হাজির হবেন স্টেজে! সেরা ছবির অস্কার বিতরণের পর তখনকার একাডেমী প্রেসিডেন্ট ‘ড্যানিয়েল টারাডাশ’ স্ক্রিনে চ্যাপলিনের কর্ম জীবন নিয়ে একটি ভিডিও ফুটেজ দেখান, এবং সেটি শেষ হবার পরপরই চ্যাপলিন মঞ্চে হাজির হন, অন্ধকার থাকতেই তিনি মঞ্চে এসে দাঁড়ান আর আলো জ্বলতেই সবাই দেখতে পায় স্বেচ্ছা নির্বাসনে যাওয়া কিংবদন্তী এই অভিনেতাকে। সেদিন আগত অতিথিরা চ্যাপলিনকে অস্কারের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থেকে সম্মাননা জানান। আবেগাপ্লুত চ্যাপলিনের শুভেচ্ছা বক্তব্যের পর ‘জন লেমন’ চ্যাপলিনকে তাঁর সিগনেচার হ্যাট ও ছড়ি উপহার দেন, চ্যাপলিন হ্যাট পরে ছড়ি টি হাতে নিলে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ তুমুল করতালির মাধ্যমে তাঁকে সম্মান জানান। সেরাতে নবীন অভিনেতাদের সাথে চ্যাপলিন একটি মঞ্চ পরিবেশনায়ও অংশ নেন। এবার আসি ৬২ তম অস্কারের একটি ঘটনায়, সময়টা ১৯৮৯ সাল। সেবার ক্লাসিক হলিউড সিনেমা ‘দ্য উইজার্ড অভ দ্য ওজ’ এর একটি বিখ্যাত গান “ওভার দ্য রেইনবো” এর সুরে একসাথে গলা মেলায় পৃথিবীর ছয়টি ভিন্ন ভিন্ন দেশের মানুষ, তাও নিজ নিজ দেশে বসে! কন্ঠশিল্পী ‘ডায়ানা রস’ এর সাথে লাইভ রিমোটের মাধ্যমে তাঁরা যোগ দেন অনুষ্ঠানে, সবাই সমবেত কন্ঠে গেয়ে উঠে অসাধারণ সুন্দর এই গানটি।

আর পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষদের মেলবন্ধন স্থাপনের অভিনব এই ঘটনাটি চিরস্মরণীয় করে রাখে ৬২তম অস্কার আসরকে। এবার চলে যাচ্ছি ৭৩ তম অস্কার আসরে। বর্তমান হলিউডের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া তারকাদের একজন-হালে বেরি, ২০০১ সালের অস্কারে তিনি একটি অনন্যসাধারণ রেকর্ড স্থাপন করেন, বলা যায় ইতিহাস তৈরি করেন। এখন পর্যন্ত তিনিই হলেন একমাত্র আফ্রিকান আমেরিকান নারী তারকা যিনি অস্কারে সেরা অভিনেত্রী বিভাগে পুরস্কার লাভ করেছেন। তাছাড়া সর্বজনপ্রিয় এই অভিনেত্রীর দেয়া অস্কার গ্রহণ ভাষণকে সর্বকালের সেরা অস্কার ভাষণগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এবার ঝটপট আরও কিছু রেকর্ডের কথা জানিয়ে দেই, সর্বোচ্চ ১১টি করে অস্কার জেতা তিনটি চলচ্চিত্র হচ্ছে ‘বেন হার’(১৯৬৭), ‘টাইটানিক’(১৯৯৭), এবং ‘দ্য লর্ড অভ দ্য রিংস-দ্য রিটার্ন অভ দ্য কিং’(২০০৩)। আর ‘লর্ড অভ দ্য রিংস-দ্য রিটার্ন অভ দ্য কিং’ ছবিটি ১১ টি বিভাগে মনোনয়ন পেয়ে ১১ টি বিভাগেই পুরস্কার অর্জন করে। ১৯৫০ সালে ‘অল অ্যাবাউট ইভ’ নামের একটি ছবি রেকর্ডসংখ্যক ১৪ টি মনোনয়ন লাভ করে যা কোন ছবির জন্য অস্কার ইতিহাসের সর্বোচ্চ মনোনয়ন। হলিউড চলচ্চিত্র জগতের বিগ ড্যাডি ‘ওয়াল্ট ডিজনি’ হলেন একমাত্র ব্যক্তি যিনি সর্বমোট ৩২ টি অস্কার লাভ করেন, এর মধ্যে ২৭ টি প্রতিযোগিতামূলক আর ৫ টি ছিলো সম্মানসূচক অস্কার। এই ওয়াল্ট ডিজনিই ১৯৫৩ সালে ৬টি বিভাগে মনোনয়ন পান ও একই আসরে ৪টি পুরস্কার জয় করেন, একই ব্যক্তির সর্বোচ্চ সংখ্যক একক মনোনয়ন ও সর্বোচ্চ সংখ্যক অর্জনের গৌরব এখন পর্যন্ত তাঁর দখলে। ‘জন ফোর্ড’ ৪টি সেরা পরিচালকের অস্কার জিতেছেন, এখন পর্যন্ত তিনিই সবচেয়ে বেশিবার অস্কার পাওয়া চলচ্চিত্র পরিচালক। নায়িকাদের মধ্যে ‘ক্যাথেরিন হ্যাপবার্ন’ সেরা অভিনেত্রী বিভাগে সর্বোচ্চ ৪ বার (১৯৩৪, ১৯৬৮, ১৯৬৯, ১৯৮২ সালে) জয়ী হলেও একবারও নিজের হাতে পুরস্কার গ্রহণ করেননি। নায়কদের মধ্যে ‘ড্যানিয়েল ডে লুইস’ সর্বোচ্চ ৩ বার (১৯৮৯, ২০০৭ ও ২০১২ সালে) সেরা অভিনেতার অস্কার লাভ করেন।

অস্কার ট্রফির ডিজাইন করেন হলিউডের বিখ্যাত শিল্প নির্দেশক ‘সেড্রিক গিবসন’, মজার ব্যাপার হলো তিনি নিজেও ১১ বার অস্কার জেতেন, আর সেরা শিল্প নির্দেশকের জন্য মোট মনোনয়ন পান ৩৯ বার। ‘বিগ ফাইভ’ একাডেমী অ্যাওয়ার্ডস অর্থাৎ-সেরা ছবি, সেরা পরিচালক, সেরা অভিনেতা, সেরা অভিনেত্রী, ও সেরা চিত্রনাট্য- সবকটি বিভাগে পুরস্কার পাওয়া রেকর্ডধারী তিনটি ছবি হলো-‘ইট হ্যাপেন্ড ওয়ান নাইট’(১৯৩৪), ‘ওয়ান ফ্লিউ ওভার দ্য কাকু’স নেস্ট’(১৯৭৫), ও ‘দ্য সাইলেন্স অভ দ্য ল্যাম্বস’(১৯৯১)। টানা দু’বছর সেরা অভিনেত্রীর অস্কার পান দুজন অভিনেত্রী-‘লুইস রেইনার’(১৯৩৬ ও ১৯৩৭) এবং ‘ক্যাথেরিন হ্যাপবার্ন’(১৯৬৭ ও ১৯৬৮)। আর টানা দুবছর সেরা অভিনেতার পুরস্কার পান দুজন অভিনেতা, তাঁরা হলেন ‘স্পেন্সার ট্রেসি’(১৯৩৭ ও ১৯৩৮) এবং ‘টম হ্যাংকস’(১৯৩৩ ও ১৯৩৪)। ‘ডেভিড ও সিজনিক’ প্রযোজিত আমার বেশ পছন্দের দুটি ছবি ‘গন উইথ দ্য উইন্ড’(১৯৩৯) ও ‘রেবেকা’(১৯৪০) টানা দু’বছর সেরা ছবির পুরস্কার পেলেও সিজনিক কোন এক অজানা কারণে একবারও অস্কারে যোগ দেননি, তাঁর ট্রফি গুলো পরে তাঁর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছিলো। ‘ক্যাথেরিন বিগেলো’ হলেন সর্বপ্রথম নারী পরিচালক যিনি ২০০৮ সালে ‘হার্ট লকার’ ছবির জন্য সেরা পরিচালকের অস্কার জয় করেন।

হলিউডের সোনালী যুগের অভিনেত্রী ‘বেটি ডেভিস’ সর্বপ্রথম অভিনয়ের জন্য ১০ টি মনোনয়ন লাভ করেন, যার সবকটি ছিলো সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন। সর্বকালের সেরা রোমান্টিক ছবিগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত ‘ব্রোকব্যাক মাউন্টেইন’(২০০৫) এর জন্য প্রথম এশিয়ান হিসেবে ‘অ্যাং লী’ সেরা পরিচালকের পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৩১ সালে ‘স্কিপি’ ছবির জন্য সেরা অভিনেতার মনোনয়ন পাওয়া ‘জ্যাকি কুপার’ এর বয়স ছিলো ৯ বছর। সবচাইতে বেশি বয়সে সেরা পরিচালকের পুরস্কার পেয়েছেন ‘ওয়েস্টার্ন কাউবয়’ খ্যাত অভিনেতা-পরিচালক ‘ক্লিন্ট ইস্টউড’। তিনি তাঁর ‘মিলিয়ন ডলার বেবি’(২০০৪) ছবিটির জন্য ৭৪ বছর বয়সে সেরা পরিচালকের অস্কার লাভ করেন। ‘মেরিল স্ট্রিপ’ হলেন অভিনয়ের জন্য এখন পর্যন্ত সবথেকে বেশিবার অস্কার মনোনয়ন পাওয়া অভিনেত্রী, তাঁর মোট মনোনয়নের সংখ্যা ১৮ টি। আর নায়কদের মধ্যে ‘জ্যাক নিকলসন’ পেয়েছেন ১২ টি মনোনয়ন। ১৯৯১ সালে ‘সাইলেন্স অভ দ্য ল্যাম্বস’ ছবিতে মাত্র ১৬ মিনিট অভিনয় করে ‘অ্যান্থনি হপকিন্স’ সেরা অভিনেতার অস্কার জয় করেন, এটাই সেরা অভিনেতা বিভাগে সবচেয়ে কম সময়ের পারফর্মেন্সে অস্কার অর্জনের ঘটনা। অবশ্য এর আগে ১৯৭৬ সালে ‘বিয়েট্রিস স্ট্রেইট’ তাঁর ‘নেটওয়ার্ক’ ছবিতে মাত্র ৫ মিনিট ২ সেকেন্ড অভিনয় করে পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয়ের জন্য একটি অস্কার লাভ করেছিলেন।

‘স্টিভেন স্পিলবার্গ’ আর ‘ক্যাথলিন কেনেডি’ প্রযোজনার জন্য সর্বোচ্চ ৮ টি করে অস্কার মনোনয়ন লাভ করেন। অস্কার মনোনয়ন, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, অস্কারের স্মরণীয় ঘটনা-অনেক কিছু নিয়েই আরও লেখা যায় তবে লেখাটি আর দীর্ঘায়ীত করতে ইচ্ছে করছে না। অস্কারের ৮৫ বছরের ইতিহাস এক রচনায় লিখে শেষ করা সম্ভব নয়, এখানে যা তুলে ধরা হয়েছে তা এর গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের একটি খন্ডচিত্র মাত্র। এই লেখাটিতে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা করেছি, বাদ পড়েছে অনেক কিছুই। তবে লেখাটা শেষ করতে পেরে ভালো লাগছে, আশা করছি পড়ে সবাই কিছুটা হলেও আনন্দ পাবেন। সবশেষে ২০১৪ সালের ৮৬ তম অস্কারিজয়ীদের জন্য শুভেচ্ছা রইলো, ভবিষ্যতে আমাদের জন্য আরও ভালো ভালো ছবি নিয়ে আসুন হলিউডের স্বপ্ন কারিগরেরা, নতুন লেখা নিয়ে দেখা হবে শীগগির। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, আর ভালো ভালো সিনেমা দেখুন।

Comments

comments

Leave a Reply

Scroll To Top