চিহিৃত সিনেমা হলগুলো থেকে কাটপিসসহ ছবি জব্দ

file-3

নব্বই দশকের শেষের দিকে চলচ্চিত্রে অশ্লীলতার শুরু। দুই তিন বছরে মধ্যে ঢুকে যায় কাটপিস। নির্মাতারা ঢালাওভাবে কাটপিস যুক্ত করে ছবি নির্মাণ করতে থাকেন। সিনেমা হলগুলো এই কাটপিসে আসক্ত হয়ে পড়ে। কয়েক বছরের ব্যবধানে অশ্লীল ছবির নির্মাণ বন্ধ হয়ে যায়। হল মালিকদের কাছে রয়ে যায় কাটপিস। অশ্লীল ছবি প্রদর্শনের জন্য খ্যাত হলগুলো এখনো ধরে রেখেছে পুরনো রীতি। অশ্লীলতা সরে গেলেও ওদের অপকর্ম বজায় রয়েছে বহাল তবিয়তে।

গত এক বছরে কাটপিস প্রদর্শনের জন্য কুখ্যাত হলগুলো থেকে একাধিক ছবি জব্দ করেছে চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড। সেন্সরবিহীন অশ্লীল গান ও দৃশ্য সংযোজন করে প্রদর্শন করার দায়ে দেশের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহ থেকে ছবি জব্দ করা হয়েছে।

কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী ধানাধীন ‘রুপালী’ সিনেমা হল থেকে ‘ফেরারী আসামী’, বি-বাড়ীয় জেলার আশুগঞ্জ ধানাধীন ‘মেঘনা’ সিনেমা হল থেকে ‘অর্ডার’, খুলনা মহানগরীর সিনেমা হল ‘সোসাইটি’ থেকে ‘টপ লিডার’ এবং ‘জনতা’ সিনেমা হল থেকে ‘তেরো পান্ডা এক গুন্ডা’, নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানাধীন ‘লাভলী’ সিনেমা হল থেকে ‘লালু কসাই’, একই থানার ‘আমন্ত্রণ’ সিনেমা হল থেকে ‘Sexy Girl & Dimension’, সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন ‘রংধনু’ সিনেমা হল থেকে ‘ঘাড় তেড়া’, ‘স্বর্ণা মহল’ সিনেমা হল থেকে ‘চেনা জানা শত্রু’, ‘রাজমহল’ সিনেমা হল থেকে ‘বিষাক্ত চোখ’, ফেনী জেলার ‘দুলাল’ সিনেমা হল থেকে ‘চান্দি গরম”, গাজীপুর জেলার ‘ঊল্কা’ সিনেমা হল থেকে ‘টাইটেলবিহীন ইংরেজি ছবি’, জয়পুরহাট জেলার ‘নাজমা’ সিনেমা হল থেকে ‘কেয়ামত’, ঢাকা জেলার সাভারস্থ ‘শিউলি’ সিনেমা হল থেকে ‘টাইটেলবিহীন ইংরেজি ও হিন্দী ছবি’ এবং ঢাকা মহানগরীর ‘রাজিয়া’ সিনেমা হল থেকে ‘অশান্ত মেয়ে’, ‘ছন্দ’ সিনেমা হল থেকে ‘মেয়ে অপহরণ’, ‘আজাদ’ সিনেমা হল থেকে ‘ঘাড় তেড়া’, ‘মানসী’ সিনেমা হল থেকে ‘ভাড়াটে খুনী’ চলচ্চিত্রগুলো জব্দ করার জন্য সেন্সর বোর্ড থেকে সংশ্লিষ্ট থানায় জব্দপত্র প্রেরণ করা হয়েছে।

সেন্সর বোর্ডের এরকম তৎপরতা অব্যাহত থাকার পরও প্রশাসনকে ফাকি দিয়ে হল মালিকরা অশ্লীলতার চাষবাস করে যাচ্ছেন। সংশ্লিষ্টরা এর বিরুদ্ধে সেন্সর বোর্ডকে আরো সতর্ক হওয়ার আহবান জানিয়েছেন।

Comments

comments

Leave a Reply

Scroll To Top