প্ল্যাস্টিক সার্জারির তত্ত্ব উড়িয়ে দিলেন বাণী কপূর

vani kapoor

২০১৩ সাল আর ২০১৬ সালের বাণী কপূরের মধ্যে বিস্তর ফারাক। মণীশ শর্মার ‘শুদ্ধ দেশি রোম্যান্স’এ যখন তাঁকে দেখা গিয়েছিল, তার চেয়ে এখন একেবারেই অন্য রকম দেখতে। চোয়ালের শেপটাই বদলে গিয়েছে।

মেকআপের কারসাজি? নাকি সার্জারিটা তিনি করিয়েই ফেলেছেন? আদিত্য চোপড়ার ‘বেফিকরে’তে বাণী কপূরকে দেখে এই প্রশ্নগুলো সকলের মাথাতেই ঘুরছিল। বাণী কিন্তু সার্জারির গুজব স্রেফ উড়িয়ে দিলেন। বললেন, ‘‘আমার এত টাকাই নেই যে সার্জারি করাব।’’
২০১৩ সাল আর ২০১৬ সালের বাণী কপূরের মধ্যে বিস্তর ফারাক। মণীশ শর্মার ‘শুদ্ধ দেশি রোম্যান্স’এ যখন তাঁকে দেখা গিয়েছিল, তার চেয়ে এখন একেবারেই অন্য রকম দেখতে। চোয়ালের শেপটাই বদলে গিয়েছে।

ফিল্মি তারকাদের কসমেটিক সার্জারির মাধ্যমে চেহারা বদলের গল্প নতুন নয়। সুতরাং বাণীও সেই রকমই কিছু করেছেন বলে মনে করা হচ্ছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে নিয়ে ট্রোলিংও হয়েছে। তাঁর মুখের গড়ন অনেকটা ছেলেদের মতো হয়ে গিয়েছে, এমন কথাও বলা হয়েছে। বাণী অবশ্য এসব একেবারে নস্যাৎ করে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, ‘‘আমি আগের চেয়ে অনেক ওজন কমিয়েছি। ‘বেফিকরে’র চরিত্র অনুযায়ী চেহারা তৈরি করতে হয়েছিল। আর রোগা হলে যে কোনও মানুষের মুখ বদলে যায়। মোটে একটা ছবি করেছি আমি। তাতে এই ধরনের সার্জারির টাকা জোগাড় করা সম্ভব নয়।’’

বাণী মুখে যাই বলুন, তাঁর ছবি কিন্তু একেবারে অন্য কথা বলছে। কোনও ছবির জন্য যদি চেহারা তৈরির প্রয়োজন পড়ে, তাহলে অনেক সময় প্রযোজনা সংস্থাই সেই দায়িত্বটা নিয়ে নেয়। ‘বম্বে ভেলভেট’এর সময় অনুষ্কা শর্মা লিপজব করিয়েছিলেন ছবির স্বার্থেই। সেক্ষেত্রে বাণী টাকার যে ছুতোটা দিয়েছেন সেটা মানা যাচ্ছে না।

Comments

comments

Leave a Reply

Scroll To Top