বক্স অফিসে এগিয়ে ‘এক্স মেন: অ্যাপোক্যালিপস’

X-Man-Poster

রূপকথার কল্পচরিত্র আর অতিমানবদের বক্স অফিস লড়াইয়ে বিজয়ী হয়েছে অতিমানবেরাই। একই সপ্তাহে মুক্তি পাওয়া ‘এক্স মেন’ সিরিজের নতুন সিকুয়াল ‘অ্যাপোক্যালিপস’ এসেই দখলে নিয়েছে বক্স অফিসের শীর্ষস্থান। ওদিকে ‘অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড’-এর সিকুয়াল ‘অ্যালিস থ্রু দ্য লুকিং গ্লাস’ এরই মাঝে হারিয়েছে পথ।

মুক্তির প্রথম চারদিনে মার্কিন বক্স অফিস থেকে ‘এক্স মেনঃ অ্যাপোক্যালিপস’ উঠিয়ে এনেছে ৬ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার, আর আন্তর্জাতিক বাজারে সে অঙ্ক প্রায় ৮ কোটি ছুঁই ছুঁই। ১৭ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার বাজেটের এই সিনেমা ধীরে ধীরেই এগুচ্ছে বড় সংগ্রহের পথে।

তবে এক্স মেন সিরিজের নবম সিনেমা ‘অ্যাপোক্যালিপস’ বেশ পিছিয়ে তার পূর্ববর্তী সিনেমা ‘ডেইজ অফ দ্য ফিউচার পাস্ট’ থেকে। সেবার সিনেমাটি প্রথম চারদিনে মার্কিন বক্স অফিসে আয় করেছিলো ১১ কোটি মার্কিন ডলার।

ওদিকে ‘এক্স মেন’র দাপটে বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছে অ্যালিসের কল্পজগত। ডিজনির ব্যানারের নতুন লাইভ অ্যাকশন সিনেমা চারদিনে আয় করতে পেরেছে মাত্র ৩ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার, যেখানে সিনেমা বানাতে খরচই পড়েছে ১৭ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি।

২০১০ সালে মুক্তি পাওয়া ‘অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড’ করেছিল বাজিমাত, আয়ের খাতায় এসেছিলো ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি। আর সেখানে সিনেমার সিকুয়াল ‘অ্যালিস থ্রু দ্য লুকিং গ্লাস’ কে অনেক পথ পেরোতে হবে লগ্নির অর্থ উঠিয়ে আনতে।

অবশ্য আন্তর্জাতিক বাজারে সিনেমার অবস্থা মোটামুটি ভালো বলা যায়। ইতালি, রাশিয়া, ব্রিটেন এবং ব্রাজিলের মত দেশ থেকে সিনেমাটি আয় করেছে ৬ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার।

সিনেমায় অভিনয় করা কেন্দ্রীয় তারকা জনি ডেপের জন্যও সময়টা যাচ্ছে খুবই খারাপ। জনপ্রিয়তা হারিয়েছেন ‘ট্রান্সেনডেন্স’ এবং ‘মরটডেকাই’ এর মত ফ্লপ সিনেমা উপহার দিয়ে। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে উঠেছে স্ত্রী অ্যাম্বার হার্ডকে মারধোরের অভিযোগ।

আদালতে প্রক্রিয়াধীন এই জটিলতায় ছাড়াছাড়িও হয়েছে অ্যাম্বারের সঙ্গে। অ্যাম্বার ভক্তরা ডাক দিয়েছেন ডেপের সিনেমা বর্জনের। ‘অ্যালিস থ্রু দ্য লুকিং গ্লাস’ এর ব্যর্থতার এক বড় কারণ হতে পারে ৫২ বছর বয়সী তারকার সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো।

গত সপ্তাহের প্রথম স্থান থেকে এই সপ্তাহে সরাসরি তৃতীয় স্থানে নেমে গেছে ‘অ্যাংরি বার্ডস’। এখন পর্যন্ত সিনেমাটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আয় করেছে ৭ কোটি মার্কিন ডলার।

দীর্ঘ এক মাসের কাছাকাছি বক্স অফিসে নিজেদের অবস্থান রেখেছে ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকাঃ সিভিল ওয়ার’। ‘ডেডপুল’ কে পেছনে ফেলে এটিই এখন এবছরে সবচেয়ে বেশি আয় করা সিনেমা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বক্স অফিসে সিনেমাটির আয় এখন ৩৭ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার।

পঞ্চম স্থানে রয়েছে কমেডি সিনেমা ‘নেইবারস টুঃ সরোরিটি রাইজিং’।

Comments

comments

Leave a Reply

Scroll To Top